
তাসীন তিহামী :
বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান বলেছেন, তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে চিকিৎসাসেবা এখন মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের রোগীরাও ঘরে বসেই রাজধানী ঢাকার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ গ্রহণ করতে পারছেন। এতে রোগীদের সময়, অর্থ ও ভোগান্তি কমার পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে কুমিল্লার তিতাস ডায়াবেটিক হাসপাতালে দরিদ্র ও অসহায় ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে বিনামূল্যে ইনসুলিন ও ওষুধ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান আরও বলেন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত চিকিৎসা গ্রহণ, সুষম খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রম এবং সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে ব্যক্তি, পরিবার এবং সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিতাস ডায়াবেটিক সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সমিতির সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন মামুনের সভাপতিত্বে এবং সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জাকারিয়ার সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তিতাস উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান, তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিরুল হক, তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. রোমানা আফরোজ লুবনা এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি (বাডাস)-এর অ্যাফিলিয়েটেড অ্যাসোসিয়েশন অ্যাফেয়ার্স বিভাগের সহকারী পরিচালক মজিবুর রহমান।
অনুষ্ঠানে তিতাস ডায়াবেটিক সমিতির সদস্যদের উদ্যোগে ১৫ হাজার পিস ডায়াবেটিসের ওষুধ এবং ১৫০ ভায়াল ইনসুলিন বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। এ কর্মসূচির মাধ্যমে এলাকার অসহায়, দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের ডায়াবেটিস রোগীদের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ইনসুলিন সহায়তা প্রদান করা হয়।
এ সময় সমিতির কোষাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ, কার্যনির্বাহী সদস্য দিদার আলম, মো. মাহবুব, আলী আহম্মেদ, শাহ আলম, জসিম খানসহ সমিতির অন্যান্য সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, অসহায় ও নিম্ন আয়ের ডায়াবেটিস রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।